গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় টিকটকের মাধ্যমে পরিচয় থেকে গড়ে ওঠা প্রেমের সম্পর্ক পরিবার মেনে না নেওয়ায় কীটনাশক সেবন করেন আত্মাহুতি দিয়েছেন এক স্কুলছাত্র ও গৃহবধূ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আল আমিন ওই গ্রামের আজাদুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় এ
স্থানীয়রা জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে আল আমিনের সঙ্গে তাসলিমার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
একপর্যায়ে গত রোববার (১১ অক্টোবর) বিয়ের দাবিতে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে ওঠেন তাসলিমা। তবে দুজনের বয়সের ব্যবধান ও সামাজিক বাস্তবতার কথা বিবেচনায় নিয়ে পরিবার এ সম্পর্ক মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
পরদিন সোমবার (১২ অক্টোবর) জমিতে ব্যবহারের জন্য রাখা কীটনাশক সেবন করেন আল আমিন ও তাসলিমা। পরে তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুজনেরই মৃত্যু হয়।
সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হোদা বলেন, খবর পেয়ে আল আমিন ও তাসলিমা আক্তার তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাইবান্ধা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
কটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।