কক্সবাজার সরকারি কলেজের দোলনচাঁপা ছাত্রী হলে তীব্র লোডশেডিংয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ছাত্রীনিবাসটির পড়াশোনার পরিবেশ। এছাড়াও জেনারেটর ফি নেওয়া হলেও তার সুবিধা দিচ্ছেন না কলেজ প্রশাসন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কলেজের ছাত্রীরা।
শিক্ষার্থীদের জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে হলে টানা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় থাকায় পড়াশোনা করতে পারছেন না তারা। সেশন ফি দেওয়ার সময় রশিদে জেনারেটরের ফি নেওয়া হলেও, বিদ্যুৎ চলে গেলে দোলনচাঁপা ছাত্রীনিবাসে নিয়মিত জেনারেটরের সুবিধা পাওয়া যায় না। অথচ একই প্রতিষ্ঠানের বাগানবিলাস ছাত্রীনিবাসে জেনারেটরের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। দোলনচাঁপা ছাত্রীনিবাসের শিক্ষার্থীরা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দাবি করে দ্রুত সমস্যা সমাধানে কলেজ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান হলটির শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পূর্বের বছরগুলোর তুলনায় ৭ হাজার ৫০০ টাকা অতিরিক্ত সেশন ফি নেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ফি দেওয়ার পরও সঠিক পড়াশোনার পরিবেশ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারী শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও ছাত্রীনিবাসের রুমে পর্যাপ্ত লকার ও পড়ার টেবিলের সুবিধা না থাকা, নিজেদের খরচে লাইট ও ফ্যান ক্রয় করে ব্যবহার করা এবং একই হোস্টেলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেও রয়েছে বৈষম্যের অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
দোলনচাঁপা ছাত্রীনিবাসের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা কারও বিরুদ্ধে নই। আমরা শুধু আমাদের ন্যায্য অধিকার ও পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ চাই। একজন আবাসিক শিক্ষার্থী যদি দিনের শেষে নিজের রুমে বসে পড়াশোনাই করতে না পারে, তাহলে হোস্টেলে থেকে তার শিক্ষাজীবন কতটা কঠিন হয়ে পড়ে—এটা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত।”
এ বিষয়ে কক্সবাজার সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।