সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, তাঁদের বাড়ির ছাদে উঠতে হলে বাইরে দিয়ে যেতে হয়। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজার পর ছাদে গিয়ে স্বামীর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। এ সময় ছাদে বিড়ালের লাফালাফির মতো শব্দ শুনেছিলেন বলেও জানান তিনি। তবে এর বেশি কিছু বুঝতে পারেননি।
পবা থানার ওসি আব্দুল মতিন জানান, আবুল কালাম আজাদের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনার সময় বাড়িতে শুধু নিহতের স্ত্রী ছিলেন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত, কী কারণে এবং কীভাবে এ ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে।