তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে লড়াইয়ে চেয়ে বেশি বিএনপির নেতাকর্মী রক্ত জীবন দিয়েছেন । বিএনপি নেতাকর্মীরা বারংবার কারাবরণ করেছেন। তারপরও দীর্ঘ লড়াইয়ে দলের একজন নেতাকর্মীও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার পেটুয়া বাহিনীর সাথে আপস করেন নি। নিজের পরিচয় গোপন করে পর্দার আড়ালে লুকিয়ে যাননি। আমাদের ত্যাগ, শ্রম এবং রক্ত ও আত্মা দানের মাধ্যমে যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সুযোগ এসেছে তার দায় বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর সবচেয়ে বেশি। সেই সুযোগ নষ্ট করার জন্য দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্র আজও চলমান। তাই সর্তকতার আমাদের পা ফেলতে হবে।
আজ যে সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্বে, দেশের জনগণ সেটি দিয়েছে। এই সরকারকে সফল করতে বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের অনেক বড় দায়িত্ব রয়েছে। দায়িত্ব পালনে কাউকে এমপি মন্ত্রী হওয়ার প্রয়োজন নেই। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে নেতাকর্মীদের দায়িত্ব অর্পণ হয়ে গেছে যাতে করে আপনারা নিজ নিজ এলাকা মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত করতে পারেন। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বলবো সিমান্তবর্তী জেলা যশোর, এখানে বরাবরই মাদকের ঝুঁকি রয়েছে। বিগত দিনগুলোতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এখানে মাদক সন্ত্রাসের ভয়াবহ বিস্তার লাভ করে। আমরা নিশ্চিত করেছি মাদক এবং সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় হবে না।
পরে মুন্সী মেহেরুল্লাহ ময়দান থেকে
র্যালিরের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মনিহার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু, সাবেক সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাবেক সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মিজানুর রহমান খান, এ কে শরফুদ্দৌলা ছোটলু, অ্যাড. হাজী আনিসুর রহমান মুকুল, সিরাজুল ইসলাম, নগর বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম চৌধুরী মুল্লুক চাঁদ, সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক সেতু প্রমুখ।