নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফিরোজ শেখকে (৫০) গ্রেফতার করেছে লোহাগড়া থানা পুলিশ। তিনি উপজেলার দিঘলিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মৃত তারা মিয়া শেখের ছেলে।
শনিবার (৪ জুলাই) দিবাগত রাতে লোহাগড়া থানার একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ শেখের বিরুদ্ধে একটি হত্যা, একটি মারামারি এবং তিনটি নাশকতাসহ মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ফিরোজ শেখ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রভাব বিস্তার করে তিনি ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন এবং অতীতে বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীর ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
লোহাগড়া উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বলেন, তারা কোনো সংঘাত চান না এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাদের দাবি, ফিরোজ শেখের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন হোক।
একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন ইউনিয়নে নাশকতার মামলার আসামি হিসেবে অভিযুক্ত আরও কয়েকজন আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট নেতা এখনো প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন এবং মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করছেন। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে বলেও তাদের দাবি।
এছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগ নেতা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নাশকতার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছেন এবং পেছন থেকে মিছিল-মিটিংয়ে উৎসাহ দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, “গ্রেফতারকৃত ফিরোজ শেখকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।”