উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইউসুফ হাওলাদারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তাইজুল ইসলাম কোনো ইউনিটের সভাপতি নয়। তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন। অভযোগ আসার পর তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তাইজুল ইসলাম দাবি করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে যে নারীকে দেখা গেছে, তিনি তার স্ত্রী।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাইজুলের বিরুদ্ধে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিবচর উপজেলা শাখার আমির মো. সরোয়ার হোসেন মৃধা।
শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. রাকিবুল হাসান জানান, আপত্তিকর ভিডিও ধারণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক মো. আবুল কালাম আজাদ প্রাণনাশের হুমকির বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে আপাতত পুলিশের কাছে আর কোনো নতুন তথ্য নেই।