রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ দাসকে ইয়াবা সরবরাহকারী শান্ত দাস ওরফে ‘পুঁটি শান্ত’ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
রোববার বিকেলে রংপুর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের খাসকামরায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের রাতে অভিযুক্তরা ইয়াবা সেবন করেছিলেন। ইয়াবা কেনার অর্থ না থাকায় সিদ্ধার্থ তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন শান্ত দাসের কাছে বন্ধক রাখেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। পরে তারা আরও ইয়াবা সংগ্রহ করে সেবন করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের পর শান্ত দাস আত্মগোপনে চলে যান। পরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ তাঁকে আটক করে আদালতে হাজির করে। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাঁকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শান্ত দাসের দেওয়া জবানবন্দি মামলার তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে তাঁর কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো অবৈধ মাদক উদ্ধার না হওয়ায় তাঁকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।