যশোরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীর ঘরে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে আরবপুর ইউনিয়নের বড় ভেকুটিয়া গ্রামের সুমন হোসেনের বিরুদ্ধে। আহত ফাতেমা বেগম দাবি করেছেন, ওই আঘাতে তার কিডনি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তৃতীয় তলার মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ফাতেমা বেগম বড় ভেকুটিয়া গ্রামের মৃত আলীমের মেয়ে।News
রোববার রাতে তিনি জানান, প্রায় নয় মাস আগে স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর এক বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে বড় ভেকুটিয়া উত্তরপাড়ার সরকারি জমিতে মায়ের সঙ্গে বসবাস করছেন।
ফাতেমার অভিযোগ, গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তার ছেলের সঙ্গে সুমন হোসেনের মেয়ের খেলাকে কেন্দ্র করে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসা করে তিনি সুমনের মেয়ে সামিয়াকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। কিছুক্ষণ পর সুমন কাঠের বাটাম হাতে তার ঘরে ঢুকে সবার সামনে তাকে মারধর করেন।
ফাতেমার দাবি, এ সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে একের পর এক আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় তিনি জেলা পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক জানান, আঘাতের কারণে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে চাপা জখম রয়েছে। সার্বিক বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। বর্তমানে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।