জ্বালানি সংকট আর তা থেকে লোডশেডিং। বাসা বাড়ি-বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সবখানেই এর প্রভাব স্পষ্ট। বিশেষ করে ভাদ্রের গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে দেশের মানুষকে। লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে ইন্টারনেট সেবাতেও। নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ না পাওয়া নিত্যদিনের বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছে ব্যবহারকারীদের।
একজন শিক্ষার্থী বলেন, আমি কাজ করতে বসছি বা অ্যাসাইনমেন্ট করতে বসছি, ওই মুহূর্তে লোডশেডিং। আমি এই কাজটি আর করতে পারছি না। আরেক শিক্ষার্থী বলেন, স্যারকে একটা ডকুমেন্ট পাঠব বলে গ্রুপে ঢুকছি। দেখি ফাইল যাচ্ছে না। কারণ বিদ্যুতের জন্য ওয়াইফাই বন্ধ।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম বলেন, নির্বিঘ্ন ইন্টারন্টে সেবা এখন পর্যন্ত আমরা প্রদান করতে পারছি। ভবিষ্যতে যদি সমস্যা বড় আকার ধারণ করে আমি আমাদের সেট-আপটা আবার চেঞ্জ করব। যেমন জেনারেটরের তেলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। ইউহজারের ক্ষেত্রে যে ক্রাইসিসটা থাকবে, এটি আমরা ওভারকাম করতে পারব না। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে ইউজারের ওপর।
মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান চাইলেন। তিনি বলছেন, ইন্টারনেট এখন আর সৌখিন পণ্য নয়, এটি প্রতিদিনের জীবনের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।
তার পরামর্শ, নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিতে মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ারগুলোতে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর। পাশাপাশি টাওয়ারগুলোর এই ব্যাকআপ ব্যবস্থা সচল আছে কি না তা দেখভাল করতে হবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে।