কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বাসে আগুন, জানালার কাচ ভেঙে ৩০ যাত্রী উদ্ধার

শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিমপাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনের সড়কের ওপর এ ঘটনা ঘটে।

আগুন লাগার সময় বাসটিতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে

স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় জানালার কাচ ভেঙে তাদের দ্রুত বের করে আনা হয়। এতে কেউ হতাহত হননি।

রামু হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট পারভেজ জানান, খবর পাওয়ার প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। কাছাকাছি অবস্থানে থাকায় দ্রুত সেখানে গিয়ে যাত্রীদের বাস থেকে উদ্ধার করা হয়।

একই সঙ্গে যাত্রীদের মালামালও বাসের ভেতর থেকে খুঁজে বের করে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়।

বাসটিতে থাকা একজন যাত্রী বলেন, ‘আমরা কক্সবাজারে ঘুরতে এসেছিলাম। আমার সিট নম্বর ছিল এইচ-১।

ঢাকা যাচ্ছিলাম। গাড়িতে আগুন লাগার বিষয়টি চালক বা হেল্পার আমাদের জানায়নি। প্রথমে পোড়া গন্ধ পাই, পরে আগুন দেখতে পাই। স্থানীয়রা বাসের জানালার গ্লাস ভেঙে আমাদের উদ্ধার করেন।’

আরেক যাত্রী বলেন, ‘আমরা পরিবারের ৭ জন কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছিলাম।

গাড়ির ভেতরে আগুন লাগার পর ধোঁয়া ও গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। স্থানীয়রা জানালার গ্লাস ভেঙে আমাদের বের করে না আনলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারত।’

তিনি আরও বলেন, আগুন লাগার পর চালক ও হেল্পারকে তিনি বাসের ভেতরে দেখেননি।

রামু ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি ও ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার কারণে বাসটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর বাসের যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে যাত্রীদের বের করে আনেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় বাসটির চালক ও হেল্পার আগুন লাগার পর পালিয়ে গেছেন বলে যাত্রীদের অভিযোগ। তবে তাদের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

ঘটনার পর সড়কে কিছুসময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *