জামায়াতে গেলে মানুষের হিতাহিতজ্ঞান থাকে না, আপনি তার নিকৃষ্ট ও বাস্তব উদাহরণ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন কর্নেল (অব.) অলি আহমেদকে উদ্দেশ করে কড়া সমালোচনা করেছেন। রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ব্যক্তিগত সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে তার বাবা-মাকে নিয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা একজন জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকের জন্য অনভিপ্রেত। তিনি লিখেছেন, এমন বক্তব্যের পরও তিনি কর্নেল অলিকে সম্মান রেখেই জবাব দিচ্ছেন। টিভিসাবস্ক্রিপশন

পোস্টে রাশেদ খাঁন দাবি করেন, কর্নেল অলি আহমেদ এক সপ্তাহের মধ্যে বিএনপি সরকারের পতনের হুমকি দেওয়ার পর তিনি অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে মাসুদ করিমের সঙ্গে অলির সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলেছেন। তিনি কর্নেল অলির উদ্দেশে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, সাহস থাকলে তিনি যেন স্পষ্টভাবে জানান, মাসুদ করিমের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক বা যোগাযোগ ছিল না।

রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ করেন, তাকে ‘র’ বা মোসাদের এজেন্ট বলে আখ্যায়িত করা হলেও, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি ও তার সহযোদ্ধারা নির্যাতন ও মামলার শিকার হয়েছেন। বিপরীতে, কর্নেল অলি আহমেদ সে সময় ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আপস করে বিরোধী আন্দোলন দুর্বল করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির কাছে জামায়াতের জন্য বেশি আসন দাবি করেছিলেন কর্নেল অলি আহমেদ। পরে বিএনপি বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য, পরবর্তীতে জামায়াতের সঙ্গে অলির রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা সেই অবস্থানেরই প্রতিফলন।

নিজের রাজনৈতিক পথচলার কথা তুলে ধরে রাশেদ খাঁন বলেন, তিনি কোনো পারিবারিক পরিচয়ের কারণে নয়, একজন শ্রমিকের সন্তান হিসেবে নিজের প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছেন।

পোস্টের শেষাংশে কর্নেল অলি আহমেদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একজন প্রবীণ রাজনীতিকের কাছ থেকে তার মা-বাবাকে নিয়ে এমন মন্তব্য প্রত্যাশিত ছিল না।

তবে রাশেদ খাঁনের উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *