প্রতিনিধি: স্বরুপ বিশ্বাস যশোর।
সততা, দক্ষতা ও মানবিকতায় অনন্য নজির গড়ে সম্মাননায় ভূষিত যশোর ডিবির এসআই অলক কুমার দে, পেলেন এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ
অলক কুমার দে পেশাগত দক্ষতা, সততা, মানবিকতা ও দায়িত্বশীল কর্মসম্পাদনের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশের মর্যাদাপূর্ণ ‘এক্সেমপ্লারি গুড সার্ভিস ব্যাজ-২০২৫’ অর্জন করেছেন। তিনি বর্তমানে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-তে এসআই (নিরস্ত্র) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত সদস্যদের মধ্য থেকে বাছাই করে এ বছর মাত্র ৩৬ জন সদস্যকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। তাদের মধ্যেই স্থান করে নিয়েছেন যশোর ডিবির এই দক্ষ ও জনবান্ধব কর্মকর্তা।
বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলা-এর নলধা-মৌভোগ ইউনিয়নের দোহাজারী গ্রামের সন্তান অলক কুমার দে দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কর্মজীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি শৃঙ্খলা, সাহসিকতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
বর্তমানে যশোর জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত অবস্থায় তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ তদন্ত, তথ্য উদঘাটন, মাদকবিরোধী অভিযান, অপরাধী শনাক্তকরণ এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জটিল ও চ্যালেঞ্জিং ঘটনাগুলো অত্যন্ত ধৈর্য, বিচক্ষণতা ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করার সক্ষমতা রয়েছে তার।
বিশেষ করে তথ্য সংগ্রহ, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ঘটনাস্থল বিশ্লেষণে তার অভিজ্ঞতা ও তৎপরতা বহু ক্ষেত্রে সফলতা এনে দিয়েছে। পুলিশের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে তার আন্তরিক সম্পর্কও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
যশোরে কর্মরত অবস্থায় নানা সময়ে বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতা করার ঘটনাও রয়েছে তার। আইনগত সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরামর্শমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন তিনি। ফলে একজন দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তার পাশাপাশি মানবিক মানুষ হিসেবেও মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
এর আগে তিনি কেরানীগঞ্জ থানা-য় এসআই হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবেও দায়িত্ব পালনকালে শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে দক্ষতার পরিচয় দেন।
নিজের এই অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় অলক কুমার দে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের একজন সদস্য হিসেবে দেশের মানুষের সেবা করতে পারাটাই আমার জন্য সবচেয়ে বড় গর্বের বিষয়। এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
তার এই অর্জনে যশোর ও ফকিরহাট এলাকায় আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
