খুলনায় এক নারীর সঙ্গে আটক হওয়া যুবককে নিজের ভাতিজা হিসেবে প্রচার করে সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ।
তিনি জানিয়েছেন, ‘আটক ওই যুবক তার ভাতিজা নন।’
গতকাল রবিবার (২৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।
অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ লেখেন, “আপনাদের দোয়া ও সমর্থনে আমি ১০৫ সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখলাম, খুলনায় এক যুবক নারীর সঙ্গে আটক হয়েছেন। উক্ত যুবককে আমার ভাতিজা হিসেবে প্রচার করে আমার সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “এ বিষয়ে আমি সচেতন দেশবাসীকে স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, উক্ত যুবক আমার ভাতিজা নন। তাই এ বিষয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না ছড়াতে এবং বিভ্রান্ত না হতে সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি।”
প্রসঙ্গত, খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানাধীন মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অপরিচিত এক তরুণীর প্রবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে রোববার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে তাঁদের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে মোনতাসিম বিল্লাহ (২১) ও এক তরুণীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। মোনতাসিম কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পড়াশোনার পাশাপাশি ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানা গেছে। তিনি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুকের ছেলে। এ ছাড়া, গোলাম ফারুক তালা উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) অধ্যাদেশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং আটক দুজনকে সোমবার (২৬ অক্টোবর) আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে। তরুণীর পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।